কোচ কাঞ্চন স্যারের ০৩ টি বই (ক্যাশ মেশিন, বিজনেস ব্লুপ্রিন্ট, ব্রেইন ব্যালেন্স)
কোচ কাঞ্চন স্যারের ৬ টি বই :
বিজনেস সাফল্যের চূড়ান্ত বিজ্ঞান
আপনার ব্রেইন কেমন চলছে আজকাল? সারাদিন এত কিছু ভাবছেন যে মনে হচ্ছে, মাথাটা একেকদিন টোস্টারের মতো ধোঁয়া ছাড়ছে?
আর ব্যাংক ব্যালেন্স? একবার চোখ বোলালেই মাথা ঘুরে যাওয়ার অবস্থা?
ঠিক আছে, আপনার জন্য একটা ভালো খবর আছে। এই বইটা আপনার মাথা আর মানিব্যাগ—দুটোরই তাপমাত্রা ঠিকঠাক করার জন্য লেখা।
এই বইয়ের নামটা একটু ব্যতিক্রম লাগতে পারে—ব্রেইন ব্যালেন্স = ব্যাংক ব্যালেন্স। কিন্তু সমীকরণটা হান্ড্রেড পার্সেন্ট ট্রু!
আমরা যতবার সফল মানুষদের দেখি, ভাবি, “ওহ! এরা এত টাকা কামায় কেমনে?”
কিন্তু আসল রহস্যটা জানেন?
তাদের ব্রেইন দারুণভাবে ব্যালেন্স করা।
যে ব্রেইন চিন্তা করতে পারে, ফোকাস করতে পারে, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে—সেই ব্রেইনই একটা ব্যাংক ব্যালেন্স বানাতে পারে; যা আপনার ভবিষ্যৎ বদলে দেবে।
আসল কথা:
এটা শুধু একটা বই না। এটা একটা টুল। এটা একটা ম্যাপ। এটা আপনার ব্রেইন আর ব্যাংক—দুটোকেই রিচার্জ করার গাইড। বইটা গভীর মনযোগে পড়ুন। তারপর আপনার মাথা আর মানিব্যাগ—দুটোই গর্বে ফুলে উঠবে। কারণ, ব্রেইন ব্যালেন্স ঠিক থাকলে, ব্যাংক ব্যালেন্স ঠিক হবেই।
মনে রাখবেন,
“যা আপনার মাথায়, তাই পাবেন মুঠোয়।”
চলুন, ব্রেইনকে আপগ্রেড করা শুরু করি!
৬ কোটি টাকার বিজনেস সিক্রেট!
মেশিন লার্নিং, এআই আর নিত্য নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কারের এই যুগে, সবকিছু ছাপিয়ে সবার বোধ হয় চাওয়া একটাই- একটা আস্ত ক্যাশ মেশিন খুঁজে পাওয়া। আর এই বই সন্ধান দেবে সেই আরাধ্য ক্যাশ মেশিন! বইয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে নিজের বিজনেসকে বানিয়ে ফেলুন বাস্তব একটা ক্যাশ মেশিন, আর আবিষ্কার করুন টাকার খনি! (ইনফ্যাক্ট ইটস ট্রু)
বিজনেস ব্লুপ্রিন্ট-এর মতন নাম্বার#১ বেস্টসেলার বইয়ের লেখক কোচ কাঞ্চন-এর ১৭ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতায় লেখা এই বই পড়ে শুরু মানি আর্নিং-এর আল্টিমেট জার্নি। লেখকের ব্যবসায় ৬ কোটি টাকার লস এবং সেখান থেকে খুঁজে পাওয়া ৬ কোটি টাকার সিক্রেট রিভিল করেছেন এই বইয়ে। রয়েছে বিজনেসকে অটোমেটিক মানি মেকিং মেশিনে রুপান্তর করার যুগান্তকারী সব মেথড, ফ্রেমওয়ার্ক ও প্রিন্সিপাল। দ্য গ্রেটেস্ট ওয়েলথ প্রডিউসিং অ্যাসেট নিজের ব্রেইনকে একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারদর্শী করার নানা ফর্মুলা বইটিকে ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
একটা মেশিন নামক বস্তু বানিয়ে, থিংক ডিফরেন্ট-এর মতো পাঞ্ছ লাইন দিয়ে পৃথিবীর সকল বিজনেস, ব্র্যান্ডিং, আর ফিলসফিকে বদলে দিয়েছিলো অ্যাপল। কোচ কাঞ্চনের ক্যাশ মেশিন সেই চিন্তার নতুন সংস্করণ!
হাউ টু উইন দ্য ব্যাটেলগ্রাউন্ড অব বিজনেস
এ বইয়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে, লেখকের ১৫ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা, অসংখ্য রেফারেন্স আর দারুণ সব বিশ্লেষণ। একদম শুরুতেই তিনি সক্রেটিসের কথা এনে বুঝিয়ে দেন, বিজনেস নিছক পুঁজির বিষয় নয়, এর সাথে জড়িয়ে আছে ফিলোসফি। দর্শন দিয়ে লেখা শুরু করে আলোচনায় নিয়ে আসেন কেন আজকের দিনে বিজনেস বিশাল এক ব্যাটেলগ্রাউন্ড। পুঁথিগত বিদ্যার অসাড়তাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে উপস্থাপন করেন IMPAct নামে বিজনেসে সফল হওয়ার অত্যন্ত কার্যকরী মেথড। তার পরের আলোচনা আরও চমকপ্রদ, আরও আকর্ষণীয়! অল্প পুঁজিতে বিজনেসের উপায় থেকে শুরু করে ইউনিক বিজনেস আইডিয়া, বিজনেসে ইনোভেশন, মার্কেটিংয়ের কৌশল এবং এর কাটাছেঁড়া বিশ্লেষণ, আজকের ব্র্যান্ড এক্সপেরিয়েন্সের দুনিয়ায় কাস্টমার কেন বেইবি, বিজনেসের যুদ্ধজয়ের কৌশল, উদ্যোক্তার চিন্তার খোরাক, টিকে থাকার রসদ, প্রোডাক্টিভিটি সিক্রেটস কিংবা বেকার টু বিলিওনিয়ারের মতো অভিনব সব টপিকে ভরপুর এ বইটি সত্যিকার অর্থেই বিজনেসের ব্লুপ্রিন্ট। এ বই তাই শুধু যারা ব্যবসা করছেন, সামনে করবেন বলে ঠিক করেছেন, কিংবা ব্যবসা নিয়ে পড়াশোনা করছেন, তাদের জন্যই পঠিতব্য নয়, যারা পড়াচ্ছেন তাদের জ্ঞানভান্ডারের জন্যও হতে পারে চমৎকার সংযোজন। একটা বিজনেস আইডিয়া কীভাবে ব্র্যান্ড হয়ে ওঠে, সেই ব্র্যান্ড কীভাবে তাবৎ দুনিয়াকে প্রভাবিত করে— বাংলা ভাষায় বিজনেস নিয়ে এমন বিশ্লেষণধর্মী বই খুব একটা চোখে পড়ে না।

কোচ কাঞ্চন। লেখক, উদ্যোক্তা ও হ্যাপিনেস কোচ। কেউ কেউ লেখার জন্য লেখেন, কিছু লেখক জীবনকে উপলব্ধি করে লেখেন। কোচ কাঞ্চন দ্বিতীয় জনরার লেখক; যিনি জীবনের কথা বলেন, জীবনকে নিয়ে ভাবার কথা বলেন। তার লেখনী প্রেরণা দেয়, আর সবচেয়ে বেশি দেয় বেঁচে থাকার এবং নিজেকে শত প্রতিকূলতা থেকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার শক্তি। অ্যাওয়ার্ড উইনিং উদ্যোক্তা, বাংলাদেশের স্বনামধন্য অর্গানিক ব্র্যান্ড ন্যাচারালস-এর ফাউন্ডার কোচ কাঞ্চন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিজনেসকে নিয়ে গেছেন বহির্বিশ্বে। বাংলাদেশি গ্লোবাল ব্র্যান্ড গড়ে তোলার মিশনে ছুটে চলেছেন দেশ-বিদেশে। তার ১৫ বছরের ব্যবসায়িক জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত বই বিজনেস ব্লুপ্রিন্ট। নিজের গল্প আর অভিজ্ঞতাকে অন্যের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার দুঃসাহসিক প্রয়াস থেকেই লেখক হিসেবে আত্নপ্রকাশ। শুরুটা হয়েছিল ‘রিস্টার্ট ইয়োর লাইফ’ দিয়ে। পাঠক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের অভিভূত সাড়া, ভালোবাসায় লেখকরূপে নিয়মিত হওয়া। তারপর লিখলেন মাস্টারিং ইয়োর লাইফ। ‘বিজনেস ব্লুপ্রিন্ট’ তার তৃতীয় বই। লিখে আনন্দ পান। সবচেয়ে তৃপ্তি পান যখন কেউ তার লেখায় অনুপ্রাণিত হন, লাইফে ঘুরে দাঁড়ানোর মিশন হাতে নেন। কোচ কাঞ্চন বিশ্বাস করেন, ভালোবাসা ও সুখ ভিতরে রাখতে নেই, তাকে ছড়িয়ে দিতে হয়। এতে সুখের অনুভূতি আরো দৃঢ় হয়।