কোচ কাঞ্চন স্যারের ৩ টি বই :
জীবনের জটিল অংকটা মিলুক সহজেই
যুগ পেরিয়েছে, শতাব্দী পেরিয়েছে, পেরিয়েছে মহাকাল; কারেন্সির ভাষা হয়ে উঠেছে সফলতার ভাষা, ক্যারিয়ারের ভাষা। আর এই কারেন্সির কাছে মানুষ ভুলে গেছে তার লাইফের আল্টিমেট কারেন্সির কথা। কারেন্সি দিয়ে মানুষ কিনতে চেয়েছে সব। কিন্তু সুখ? যার জন্য তার এতোকিছু, সেই সুখটাই রয়ে গেছে অধরা। অ্যারিস্টটল যাকে মানব জীবনের আসল অস্তিত্ব বলেছিলেন, সেই সুখ, হ্যাপিনেস নামক অনুভূতুটি মানুষ সোনার হরিণের মতো খুঁজে ফিরছে কেবল। না পেয়ে সফলতার শীর্ষে পৌঁছে, সবচেয়ে বেশি ধনী হয়ে, সে ঘোষণা করেছে—”মানি কান্ট বাই হ্যাপিনেস!” কারেন্সি দিয়ে সে সব কিনতে পারেনি, কিন্তু আল্টিমেট কারেন্সি যে সুখ, সেটা আর্ন করলে মানুষ কিনতে পারতো সব। আর মানবজীবনের সেই আল্টিমেট কারেন্সিকে আর্ন করা এবং সুখ অর্জনের সায়েন্টিফিক স্কিলগুলোকে যুগান্তকারী মডেলের মাধ্যমে রপ্ত করার উপায় হলো “সুখের সমীকরণ” বইটি।”এই জীবনের সবচেয়ে সুন্দর জিনিসগুলোকে দেখাও যায় না, স্পর্শও করা যায় না, এগুলো অবশ্যই হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে হয়।” হেলেন কেলারের এই কথা আপনার জীবনে বাস্তবতা পাক “সুখের সমীকরণ’ বইটির মাধ্যমে। পুরো বইয়ের কথাগুলো হৃদয় দিয়ে অনুভব করে শুরু হোক আপনার সুখময় জীবনের শান্তিময় যাত্রা।
এমন যদি হতাে, জীবনটাকে আবার নতুন করে শুরু করা যেত আমরা হয়তাে ভুলে ভরা অতীতটাকে বদলাতে পারবাে না, কিন্তু অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন জীবনের সূচনাতো করতে পারি। প্রতিটি সূর্যোদয় একটি নতুন প্রভাত নিয়ে আসে নতুন প্রভাত আনে নতুন সম্ভাবনা প্রতিটি সম্ভাবনা দেয় সুন্দর আগামীর হাতছানি। বাধার পাহাড় ডিঙ্গিয়ে মনের জমিনে কিভাবে সফলতা ও ভালোবাসার চাষ করব তার সবই তুলে ধরেছি আমার অভিজ্ঞতার আলােকে শেষ কবে প্রিয়জনকে নিজ হাতে চিঠি লিখেছেন? আঠা দিয়ে খামের মুখটা বন্ধ করে স্ট্যাম্প সেঁটে হেঁটে গিয়ে ডাকবাক্সে শেষ কবে চিঠি ফেলেছেন তা হয়তাে অনেকের মনেই নেই। সিনেমার নয়, প্ৰেরনার ইনিয়াস কাঞ্চন কি-বাের্ডের টাইপিংনয়, হাতে লেখা অক্ষর নিয়ে এসেছি। চিঠি নয়,তবে সেই একই আবেগ ভরা আমার গবেষণালব্দ সেল্প ডেভেলপমেন্ট বই। পাঠকরা আমার প্রিয় জন। প্রিয়জনদের সেল্প ডেভেলপমেন্টের জন্য তাদের সবচেয়ে কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছি।
ফলো ইয়োর হার্টস
এমন যদি হতাে, জীবনটাকে আবার নতুন করে শুরু করা যেত আমরা হয়তাে ভুলে ভরা অতীতটাকে বদলাতে পারবাে না, কিন্তু অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন জীবনের সূচনাতো করতে পারি। প্রতিটি সূর্যোদয় একটি নতুন প্রভাত নিয়ে আসে নতুন প্রভাত আনে নতুন সম্ভাবনা প্রতিটি সম্ভাবনা দেয় সুন্দর আগামীর হাতছানি। বাধার পাহাড় ডিঙ্গিয়ে মনের জমিনে কিভাবে সফলতা ও ভালোবাসার চাষ করব তার সবই তুলে ধরেছি আমার অভিজ্ঞতার আলােকে শেষ কবে প্রিয়জনকে নিজ হাতে চিঠি লিখেছেন? আঠা দিয়ে খামের মুখটা বন্ধ করে স্ট্যাম্প সেঁটে হেঁটে গিয়ে ডাকবাক্সে শেষ কবে চিঠি ফেলেছেন তা হয়তাে অনেকের মনেই নেই। সিনেমার নয়, প্ৰেরনার ইনিয়াস কাঞ্চন কি-বাের্ডের টাইপিংনয়, হাতে লেখা অক্ষর নিয়ে এসেছি। চিঠি নয়,তবে সেই একই আবেগ ভরা আমার গবেষণালব্দ সেল্প ডেভেলপমেন্ট বই। পাঠকরা আমার প্রিয় জন। প্রিয়জনদের সেল্প ডেভেলপমেন্টের জন্য তাদের সবচেয়ে কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছি।

কোচ কাঞ্চন। লেখক, উদ্যোক্তা ও হ্যাপিনেস কোচ। কেউ কেউ লেখার জন্য লেখেন, কিছু লেখক জীবনকে উপলব্ধি করে লেখেন। কোচ কাঞ্চন দ্বিতীয় জনরার লেখক; যিনি জীবনের কথা বলেন, জীবনকে নিয়ে ভাবার কথা বলেন। তার লেখনী প্রেরণা দেয়, আর সবচেয়ে বেশি দেয় বেঁচে থাকার এবং নিজেকে শত প্রতিকূলতা থেকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার শক্তি। অ্যাওয়ার্ড উইনিং উদ্যোক্তা, বাংলাদেশের স্বনামধন্য অর্গানিক ব্র্যান্ড ন্যাচারালস-এর ফাউন্ডার কোচ কাঞ্চন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিজনেসকে নিয়ে গেছেন বহির্বিশ্বে। বাংলাদেশি গ্লোবাল ব্র্যান্ড গড়ে তোলার মিশনে ছুটে চলেছেন দেশ-বিদেশে। তার ১৫ বছরের ব্যবসায়িক জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত বই বিজনেস ব্লুপ্রিন্ট। নিজের গল্প আর অভিজ্ঞতাকে অন্যের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার দুঃসাহসিক প্রয়াস থেকেই লেখক হিসেবে আত্নপ্রকাশ। শুরুটা হয়েছিল ‘রিস্টার্ট ইয়োর লাইফ’ দিয়ে। পাঠক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের অভিভূত সাড়া, ভালোবাসায় লেখকরূপে নিয়মিত হওয়া। তারপর লিখলেন মাস্টারিং ইয়োর লাইফ। ‘বিজনেস ব্লুপ্রিন্ট’ তার তৃতীয় বই। লিখে আনন্দ পান। সবচেয়ে তৃপ্তি পান যখন কেউ তার লেখায় অনুপ্রাণিত হন, লাইফে ঘুরে দাঁড়ানোর মিশন হাতে নেন। কোচ কাঞ্চন বিশ্বাস করেন, ভালোবাসা ও সুখ ভিতরে রাখতে নেই, তাকে ছড়িয়ে দিতে হয়। এতে সুখের অনুভূতি আরো দৃঢ় হয়।