বিজনেস সাফল্যের চূড়ান্ত বিজ্ঞান
আপনার ব্রেইন কেমন চলছে আজকাল? সারাদিন এত কিছু ভাবছেন যে মনে হচ্ছে, মাথাটা একেকদিন টোস্টারের মতো ধোঁয়া ছাড়ছে?
আর ব্যাংক ব্যালেন্স? একবার চোখ বোলালেই মাথা ঘুরে যাওয়ার অবস্থা?
ঠিক আছে, আপনার জন্য একটা ভালো খবর আছে। এই বইটা আপনার মাথা আর মানিব্যাগ—দুটোরই তাপমাত্রা ঠিকঠাক করার জন্য লেখা।
এই বইয়ের নামটা একটু ব্যতিক্রম লাগতে পারে—ব্রেইন ব্যালেন্স = ব্যাংক ব্যালেন্স। কিন্তু সমীকরণটা হান্ড্রেড পার্সেন্ট ট্রু!
আমরা যতবার সফল মানুষদের দেখি, ভাবি, “ওহ! এরা এত টাকা কামায় কেমনে?”
কিন্তু আসল রহস্যটা জানেন?
তাদের ব্রেইন দারুণভাবে ব্যালেন্স করা।
যে ব্রেইন চিন্তা করতে পারে, ফোকাস করতে পারে, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে—সেই ব্রেইনই একটা ব্যাংক ব্যালেন্স বানাতে পারে; যা আপনার ভবিষ্যৎ বদলে দেবে।
আসল কথা:
এটা শুধু একটা বই না। এটা একটা টুল। এটা একটা ম্যাপ। এটা আপনার ব্রেইন আর ব্যাংক—দুটোকেই রিচার্জ করার গাইড। বইটা গভীর মনযোগে পড়ুন। তারপর আপনার মাথা আর মানিব্যাগ—দুটোই গর্বে ফুলে উঠবে। কারণ, ব্রেইন ব্যালেন্স ঠিক থাকলে, ব্যাংক ব্যালেন্স ঠিক হবেই।
মনে রাখবেন,
“যা আপনার মাথায়, তাই পাবেন মুঠোয়।”
চলুন, ব্রেইনকে আপগ্রেড করা শুরু করি!
কোচ কাঞ্চন
কোচ কাঞ্চন। লেখক, উদ্যোক্তা ও হ্যাপিনেস কোচ।
কেউ কেউ লেখার জন্য লেখেন, কিছু লেখক জীবনকে উপলব্ধি করে লেখেন। কোচ কাঞ্চন দ্বিতীয় জনরার লেখক; যিনি জীবনের কথা বলেন, জীবনকে নিয়ে ভাবার কথা বলেন। তার লেখনী প্রেরণা দেয়, আর সবচেয়ে বেশি দেয় বেঁচে থাকার এবং নিজেকে শত প্রতিকূলতা থেকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার শক্তি।
অ্যাওয়ার্ড উইনিং উদ্যোক্তা, বাংলাদেশের স্বনামধন্য অর্গানিক ব্র্যান্ড ন্যাচারালস-এর ফাউন্ডার কোচ কাঞ্চন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিজনেসকে নিয়ে গেছেন বহির্বিশ্বে। বাংলাদেশি গ্লোবাল ব্র্যান্ড গড়ে তোলার মিশনে ছুটে চলেছেন দেশ-বিদেশে। তার ১৫ বছরের ব্যবসায়িক জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত বই বিজনেস ব্লুপ্রিন্ট।
নিজের গল্প আর অভিজ্ঞতাকে অন্যের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার দুঃসাহসিক প্রয়াস থেকেই লেখক হিসেবে আত্নপ্রকাশ। শুরুটা হয়েছিল রিস্টার্ট ইয়োর লাইফ দিয়ে। পাঠক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের অভিভূত সাড়া, ভালোবাসায় লেখকরূপে নিয়মিত হওয়া। তারপর লিখলেন মাস্টারিং ইয়োর লাইফ। বিজনেস ব্লুপ্রিন্ট তার তৃতীয় বই। লিখে আনন্দ পান। সবচেয়ে তৃপ্তি পান যখন কেউ তার লেখায় অনুপ্রাণিত হন, লাইফে ঘুরে দাঁড়ানোর মিশন হাতে নেন।
কোচ কাঞ্চন বিশ্বাস করেন, ভালোবাসা ও সুখ ভিতরে রাখতে নেই, তাকে ছড়িয়ে দিতে হয়। এতে সুখের অনুভূতি আরো দৃঢ় হয়। লেখককে আরো জানতে চাইলে ডিজিটাল যুগে এটা খুবই সহজ। ‘Coach Kanchon’ লিখে গুগল, ফেসবুক, লিংকডইন কিংবা ইন্সটাগ্রাম যেখানেই সার্চ দিন, পেয়ে যাবেন আরো ডিটেইলস।